ধোবাউড়ায় ভারতীয় সীমানা থেকে বাংলাদেশীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

ধোবাউড়ায় ভারতীয় সীমানা থেকে বাংলাদেশীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার: ধোবাউড়া উপজেলার ১নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্ত পিলার ১১৪২/২০এটি এর ১৩০ গজ উত্তরে এবং নেওলাগিরি বিএসএফ ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ৪০০ গজ দক্ষিণে ভারতের অভ্যন্তরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ইব্রাহিম(৩৫) নামে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে অত্র ইউনিয়নের গোবরচনা গ্রামের আব্দুল হামিদের ৪ ছেলের মধ্যে তৃতীয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় গোবরচনা গ্রামের রমজানের ছেলে মিলন মাছ ধরতে পাশ্ববর্তী পাহাড়িয়া ঝরনায় গেলে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ইব্রাহিমের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। মিলন দৌঁড়ে গিয়ে ইব্রাহিমের চাচাত ভাই রায়হানকে জানালে সে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজীউর রহমানকে জানায়। পরে চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান চারুয়াপাড়া বিজিবি ক্যাম্পে খবর দিলে হাবিলদার আক্তার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি টহল দল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ এর সাথে পতাকা বৈঠকের উদ্দেশ্যে সকাল ১০টায় ঘটনাস্থলে যায়। সীমান্ত পিলারের কাছে প্রায় ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করেও বিএসএফ এর কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে এসআই সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ধোবাউড়া থানা পুলিশ বেলা ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিজিবি শান্তি পতাকা উড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি ধোবাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, নিহত ইব্রাহিম ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাচালানির সাথে জড়িত। হয়ত অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। এদিকে নিহতের স্ত্রী বলেন, ‘গোবরচনা গ্রামের মোতালেবের সাথে আমার স্বামী ভারতীয় ব্যবসা করত।’ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল। উল্লেখ্য নিহত ইব্রাহিমের দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ের আসমা খাতুনের বয়স ৭ বছর ও ছোট ছেলের বয়স ৪ বছর। তবে ইব্রাহিমের স্ত্রী জানায় তাদের ৫ মাসের একটি অনাগত সন্তান রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Leave a Reply